শিমুলিয়া ফেরিঘাট যেনো অচেনা এক বন্দর। নেই যাত্রীর কোলাহন। যানজটশূন্য পার্কিং ইয়ার্ড। রাস্তার পাশে লাইনে নেই কোনো পণ্যবাহী ট্রাক। ঘাটের এরকম অবস্থা বহু বছর দেখা যায়নি। তাই ঘাটে কর্মরত সংশ্লিষ্ট সকলে একবাক্যে, বলছেন বহু বছর ঘাটের এরকম চিত্র দেখিনি। শনিবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে গিয়ে দেখ যায়, শিমুলিয়া ঘাটের চিরচেনা সেই যাত্রীদের কোলাহল নেই। দোকানপাট বন্ধ। পার্কিং ইয়ার্ডে নেই কোনো গাড়ি। ঘাটের রেস্টুরেন্ট পাড়ায় নেই ডাকাডাকি। করোনার কারণে রেস্টুরেন্টগুলো এমনিতেই বন্ধ। দায়িত্বরত ট্রাফিক, নৌ-পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসি’র সদস্যরা একবারে অলস সময় পার করছেন। গাড়ি না থাকায় তারাও ঘাটের বিভিন্ন স্থানে বসে সময় পার করছেন। ফেরি থাকলেও যানবাহন না থাকায় ফেরিগুলো ঘাটে অলসভাবে নোঙরে আছে। গাড়ির জন্য ফেরিগুলোকে পন্টুনে অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে। গত ৩ দিনের কঠিন লডডাউনের কারণে তেমন কোনো যানবাহন না থাকায় রাস্তার পাশে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা পণ্যবাহী ট্রাকগুলো ইতিমধ্যে ফেরি যার হয়ে গেছে। তাই ঘাটের চিত্র এখন অন্যরকম। মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির আইসি জেএম সিরাজুল কবির জানান, শিমুলিয়া ঘাটে আমার কর্মজীবনে এমন পরিবেশ আর দেখিনি। ঘাট পরিণত হয়েছে সুনসান এক জনপদে। কঠিন লকডাউনে তেমন যানবাহন না থাকায় যাত্রী ও যানবাহন শূন্য হয়ে পড়েছে শিমুলিয়া ঘাট। শুধু আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই নজরে পড়বে সকলের। বিআইডব্লিউটিসি’র এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘাটে ১৪টি ফেরি পারাপারে নিয়োজিত থাকলেও যাত্রী ও যানবাহন না থাকায় ফেরিগুলোকে গাড়ির জন্য ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পারাপারের অপেক্ষায় নেই কোনো গাড়ি। বিভিন্ন সময়ে নাব্যতা সংকটে ফেরি চলাচল ১০-১২ দিন বন্ধ থাকলেও ঘাটে এরকম চিত্র কখনও দেখা যায়নি। কঠিন লক ডাউনের কারণেই এরকম হয়েছে। এই রকম আরো খবর